গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের বার্ষিক আয় ২০ লাখ টাকার বেশি। এর সঙ্গে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯০ লাখ টাকা।
ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-৩ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য জমা দেওয়া তার হলফনামায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, নুরুল হক নুরের ৯০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা সম্পদ আছে। তিনি নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং এই ব্যবসা থেকেই তার আয়ের প্রধান অংশ অর্জিত হয়।
এছাড়া, গত বছর তিনি আয় করেছেন ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা, যার মধ্যে ব্যবসা থেকে আয় ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে প্রাপ্ত আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২২ টাকা।
নুরের নগদ অর্থ রয়েছে ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ২১৭ টাকা এবং ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ টাকা। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে তার ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বিনিয়োগ রয়েছে।
হলফনামা থেকে জানা যায়, নুরের সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে উত্তরাধিকার বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত আমানত থেকে। সেই সম্পদের পরিমাণ ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৩১১ টাকা।
কৃষিজমি হিসেবে তার নামে প্রায় ৮২ ডেসিমাল জমি রয়েছে এবং পাওনাদারের কাছে তার ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৬০ টাকার দেনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় হলফনামায়।
নুরুল হক নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার পেশায় একজন শিক্ষক এবং তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। এর মধ্যে নগদ ৩০ হাজার ৯৪১ টাকা এবং ব্যাংকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৭ টাকা গচ্ছিত রয়েছে।


