সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলামকে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দলটির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কে এম শামছুল ইসলামকে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, দেশে ফেরার দিন তাকে বিদায় দিতে বিমানবন্দরে ভিড় না করতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুরোধ জানিয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান। তার মতে, সেদিন বিমানবন্দরে ভিড় করলে হট্টগোল হবে, দেশের সুনাম নষ্ট হবে।
বুধবার লন্ডনের সিটি প্যাভিলিয়নে বিজয় দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপির আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, ১৮ বছর পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
তারকে রহমানকে অভ্যর্থনা জানাতে কমিটি
ইতোমধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অভ্যর্থনা কমিটি করেছে বিএনপি।
গঠিত এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
এ ছাড়া অভ্যর্থনা কমিটিতে বিএনপির ১০ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অঙ্গসংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবেরা সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।
এখন থেকে প্রতিদিন এই অভ্যর্থনা কমিটির বৈঠক হবে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে গত সোমবার গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ সভা হয়েছে।
কীভাবে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা দেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় অনুষ্ঠিত ওই সভায়।
গত ১৮ বছর ধরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত থাকার পর ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরছেন তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ওইদিন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেতাকর্মীরা সংবর্ধনা জানাতে উপস্থিত থাকবেন। বিমানবন্দর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানাবেন। তবে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন বলে জানা যায়।
এদিকে, ঢাকায় আসার পর তারেক রহমান গুলশান এভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন। এই বাসার পাশেই ‘ফিরোজা’ বাসভবন। যেখানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কয়েক বছর ধরে আছেন।


