খাগড়াছড়িতে মারমা জনগোষ্ঠীর এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাকে ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮টি পরিবার ও ব্যবসায়ীদের ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছে পার্বত্য জেলা পরিষদ।
শনিবার সকালে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এসব সহায়তা তাদের হাতে তুলে দেন।
ক্ষতিগ্রস্তদের ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ ও ১ বস্তা চাল দেওয়া হয়। শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, ‘সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকবে পরিষদ।’
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্যরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর মারমা জনগোষ্ঠীর এক স্কুলশিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে জুম্ম ছাত্র জনতা। এক পর্যায়ে আন্দোলন সহিংসতায় গড়ালে ২৮ সেপ্টেম্বর গুইমারায় তিন জন নিহত হন।
দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগে ৯০টির বেশি ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও স্থাপনা পুড়ে যায়। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। এর মধ্যে বেশিরভাগই মারমাদের। কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি অফিসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


