কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় রহস্যজনকভাবে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর মানিকের বাঁধ বানুতলা এলাকার একটি ডোবা পুকুরে খায়রুন নেছার ভাসমান দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
পরে তারা মরদেহটি পুকুরের কিনারায় তুলে এনে পুলিশে খবর দেন।
নিহত খায়রুন নেছা (৮০) ওই এলাকার মৃত জব্বার শেখের স্ত্রী। এদিন সকালে কাজে বের হওয়া কয়েকজন গ্রামবাসী প্রথমে পুকুরের মাঝামাঝি ভাসমান একটি শরীরের অংশ দেখে সন্দেহ করেন।
কাছে গিয়ে তারা দেখতে পান, বৃদ্ধার গলা ও দুই পা একই ওড়না দিয়ে শক্ত করে বাঁধা। তার এক চোখ ফুটো হয়ে রক্ত ঝরছিল। পুকুরের কিনারায় পড়ে ছিল তার স্যান্ডেল ও চলাফেরা করার লাঠি।
পরে স্থানীয়রা ভেড়ামারা থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, খায়রুন নেছার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি বেশি সময় মেজো ও ছোট ছেলের বাড়িতে থাকতেন। ছেলের বৌদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে মতবিরোধ হলে তিনি অন্যত্র গিয়ে থাকতেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
বৃদ্ধার মেয়ে মোছা. ফুলজান খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মায়ের হাত-পা আর গলা একই ওড়না দিয়ে বাঁধা ছিল। তার মরদেহ পুকুরের মাঝখানে ভাসছিল। এটা কীভাবে সম্ভব। কিছু বুঝতে পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


