কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে প্লাবনের কারণে এখনও চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ২১টি প্রাথমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
দৌলতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুশতাক আহম্মেদ টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, ওই ২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ থাকলেও দুর্গত মানুষের জন্য এসব স্থানে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র ।
অপরদিকে, পানি বাড়তে থাকায় নদীপারের নিম্নাঞ্চল ও চরের আবাদি জমি প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে রাস্তা ডুবে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। বন্যার শঙ্কায় রয়েছেন নদীসংলগ্ন চার ইউনিয়নের মানুষ। বিশেষ করে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এরই মধ্যে ২৪৩ হেক্টর জমির ধান, কলা, সবজি, মরিচ ও ভুট্টা নষ্ট হয়েছে।
এ বিষয়ে পাবনা ওয়াটার হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুজ্জামান জাহিদ বলেন, ‘পদ্মায় প্রতিদিন পানি বাড়ছে। তবে তা কতদিন অব্যাহত থাকবে তা বলা যাচ্ছে না।’
এর আগে সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে ১২ দশমিক ৮৯ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই পয়েন্টের বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার।


