কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ ছাত্রশিবির নেতা জিসান মিয়া (২৮) আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিয়ে এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রুণ নষ্টের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছে কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কার্যালয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন জিসান মিয়া। পরে তিনি অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়লে ভ্রুণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন। না মানলে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরে তিনি নিজেই ওষুধ খাইয়ে ওই নারীর পেটে থাকা ভ্রুণ নষ্ট করেন। ওই নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান আত্নগোপনে গিয়ে চাচাত ভাই রাসেল আহম্মেদের মাধ্যমে দাউদকান্দি থানায় জিডি করান।
জিসান মিয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তার চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে।
এক দিন পরে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানা এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা জিসান মিয়াকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী জিসানকে প্রধান আসামী করে ধর্ষণ ও ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে দাউদকান্দি থানায় মামলা করেন।


