কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় একটি কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৪০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভা ও আশপাশের বিভিন্ন গ্রামে কুকুরটি একের পর এক মানুষকে কামড়ে আহত করে। পরে শুক্রবার সকালে এলাকাবাসী কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অন্তত ১৪০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন।
গত রাতে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন চিকিৎসা নিতে আসেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর-এ-আলম খান বলেন, ‘সন্ধ্যার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হন।’
‘তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতরদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে থাকা ভ্যাকসিন শেষ হয়ে গেছে। অনেকেই বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিচ্ছেন।’
একসঙ্গে এত সংখ্যক কুকুরে কামড়ানো রোগী আগে কখনো আসেনি বলেও জানান তিনি।
এদিকে, শুক্রবার সকালে কুকুরটি পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের নারান্দী ও নরপুর গ্রামের আরও অনেক মানুষকে আক্রমণ করে কামড়ে আহত করে।
পরে শালংকা গ্রামের সাধু বাড়ি এলাকার বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে ধরে রড দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।
এ সময় আরও প্রায় ২০ জন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, আহতদের চিকিৎসা ও ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে এবং তিনি নিজেও আহতদের খোঁজখবর নিয়েছেন।


