নোয়াখালী সদর উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. কামাল উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর দাদপুর ইউনিয়নের রামবল্লভপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. কামাল একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ী।
স্থানীয়দের দাবি, ইয়াবা সেবন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত কামালের ছেলে তারেক (২৫) ও ভাতিজা ফরহাদের (২৪) বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রামবল্লভপুর এলাকার মিনু হাজী বাড়ি ও লেসি সরদার বাড়ির পাশের এলাকায় তাদের ইয়াবা বিক্রি ও সেবনকে কেন্দ্র করে উভয় বাড়ির কিশোরদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও মারামারি হয়।
এক পর্যায়ে লেসি সরদার বাড়ির লোকজন মিনু মাঝি বাড়ির কয়েকজনকে আটক করে। পরে মিনু মাঝি বাড়ির ইমাম উদ্দিনের (৪০) হস্তক্ষেপে তাদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে সেখানে তাদের সঙ্গে থাকা তারেক, পারভেজ, ও আরও কয়েকজনের সংঘর্ষ হয়। এ সময়ে মিনু মাঝি বাড়ির কিশোরদের ধাওয়ায় তারেক, পারভেজ ও ফরহাদ পালিয়ে গেলেও তারেকের বাবা মো. কামাল উদ্দিনকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
মারধরের এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) রাম চন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাচ্ছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


