ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাত প্রবাসীর মরদেহ চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে পৌঁছেছে। রোববার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরা ঘাট থেকে স্পিডবোটে করে মরদেহগুলো সন্দ্বীপে আনা হয়।
এর আগে, শনিবার রাত সোয়া আটটার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে লাশগুলো চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। পরে রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।
ওমানের ওই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— আমিন মাঝি (৫০), মো. সাহাবুদ্দিন (২৮), মো. বাবলু (২৮), মো. রকি (২৭), মো. আরজু (২৬), মো. জুয়েল (২৮) ও মোশারফ হোসেন রনি (২৬)। তারা ওমানের সাগরে মাছ শিকারের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, গোসল ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে জানাজা ও দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। তাই একসাথে জানাজা হয়নি।
স্বজনরা জানান, ৮ অক্টোবর ওমানের ধুকুম প্রদেশের সিদরা এলাকায় তাদের বহনকারী গাড়ির সঙ্গে আরেকটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়।
নিহত আমিন মাঝির ভাই আলী আজগর বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে আমরা ভাইয়ের লাশ বুঝে পেয়েছি। সকালেই মরদেহ সন্দ্বীপে পৌঁছেছে।’
সন্দ্বীপ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেন, ‘সাতজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার আকস্মিক মৃত্যু পুরো সন্দ্বীপকে গভীর শোকে আচ্ছন্ন করেছে।’


