তথ্য চাইলে হয়রানির সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে: ইফতেখারুজ্জামান

তথ্য চাইলে হয়রানির সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে: ইফতেখারুজ্জামান
টিআইবিব’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। ফাইল ছবি
Advertisement
Advertisement

তথ্য জানা দেশের মানুষের অধিকার। তথ্য জানতে চাওয়ায় মামলা হয়রানির সংস্কৃতিকে বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘সরকারি তথ্য জনগণের সম্পদ, এটি কোনো ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নয়। তথ্য না দেওয়া, তথ্য চাইলে হয়রানি, মামলা, হামলা—এই সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে হবে।’

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য অধিকার ফোরাম আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সরকারি তথ্য জনগণের সম্পদ, এটি কোনো ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নয়। তথ্য না দেওয়া, তথ্য চাইলে হয়রানি, মামলা, হামলা—এই সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে হবে।’

প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা ও আইন প্রয়োগে শক্তিশালী কমিশন গঠন এই সংস্কৃতির পরিবর্তন আনবে বলে মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন

রাজনৈতিক দলগুলোকে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করেন বদিউল আলম মজুমদার।

‘রাজনৈতিক দলগুলোকে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আনা খুব জরুরি। আগামী নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও আয়-ব্যয়ের বিবরণ জনগণের কাছে প্রকাশের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘নারীদের জন্য বিনিয়োগ, তাদের বঞ্চনার অবসান ঘটানো এবং সুযোগ সৃষ্টি করা আমাদের জন্য অপরিহার্য। কারণ, তারা আমাদের সমাজের অর্ধেক। অথচ তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত, সব ক্ষেত্রে তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।’

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশে ইউনেসকো প্রতিনিধি সুজান ভাইজ, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. দাউদ মিয়া এনডিসি।

সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের উপপরিচালক রুহী নাজ এবং সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন তথ্য অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক শাহীন আনাম।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর