ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে অগ্নিনির্বাপণ ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘যদি সেখানে ডিটেকশন ও প্রোটেকশন সিস্টেম থাকত, তাহলে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটত না। আমরা সেখানে এমন কোনো ব্যবস্থা পাইনি। তাই আগুন কীভাবে ও কখন লাগল তা জানতে তদন্ত প্রয়োজন।’
রোববার বিকালে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
স্থাপনাটি স্টিল নির্মিত হওয়ায় এটি প্রচুর তাপ শোষণ করেছে জানিয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সে কারণেই এখনো তাপ নির্গত হচ্ছে। এজন্য এখনো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে, যদিও আগুনের শিখা আর নেই।’
ধোঁয়া দেখতে পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস কাজ চালিয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।
তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা না থাকায় আগুন নিভে গেছে বলে ঘোষণা দেয় ফায়ার সার্ভিস।
ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজের ভবনটি ছোট ছোট কয়েকটি কক্ষে বিভক্ত ছিল জানিয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সেখানে বিপুল পরিমাণে দাহ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যসামগ্রী মজুত ছিল। ভবনের কিছু জায়গা বেশ সংকীর্ণ থাকায় আগুন নেভাতে দেরি হয়েছে।’
‘স্টিলের কাঠামো কেটে ভেতরে প্রবেশ করতেও অনেক সময় লেগেছে, যা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দেরি হওয়ার আরেকটি কারণ।’
এর আগে শনিবার দুপুরে কার্গো ভিলেজে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট।


