বিএনপির অভ্যন্তরে বিপ্লবের প্রত্যাশিত রাজনৈতিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের প্রতিফলন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার এক নেতা।
বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে সরকার দলের সমালোচনা করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ছাত্রদল ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।
পদত্যাগে বিষয়ে শুক্রবার রাতে শোভন টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয় বরং ‘বিপ্লব’ পরবর্তী প্রত্যাশিত উন্নয়নের বাস্তব প্রতিফলন না পাওয়ার ফল।
তিনি বলেন, ‘নেতৃত্বের অদক্ষতার অনেক বড় একটা বিষয় আছে। জনগনের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ না হলে সেটা তো ভালো কোনো বিষয় নয়।’
‘আমরা লড়াই করেছি ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য। যেখানে ১৮ কোটি মানুষের মুক্তি হবে সেটাই হচ্ছে বাস্তবতা এবং প্রকৃত সমাধান কিন্তু সেদিকে যাওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছিলাম না যে কারণে আমার মনে হয়েছে এখানে না থাকাটাই ভালো’, যোগ করেন তিনি।
‘জুলাই সনদের’ প্রায় ৭০ শতাংশ বিষয়ের সঙ্গে একমত হলেও এটি মূলত বিএনপি ও জামায়াতের পারস্পরিক ‘সমঝোতার’ ভিত্তিতে তৈরি বলে মনে করেন শোভন। বলেন, ‘সনদটি আরও জনবান্ধব ও স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন ছিল।’
শোভন জানান, তিনি ২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পর থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। সামনে জাতীয় রাজনীতি আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।’
জাতীয় রাজনীতির পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘সব পক্ষকে সঙ্গে না নিয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিলে সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করবে না। এতে করে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সংকট তৈরি হতে পারে।’
পদত্যাগের পর দলীয়ভাবে কেউ যোগাযোগ করেছে কিনা- প্রশ্নের জবাবে শোভন জানান, দলের কোনো শীর্ষ নেতা যোগাযোগ করেননি। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকে সহকর্মীরা যোগাযোগ করেছেন।


