রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানের ভাইরাল অডিওটির সত্যতা মিলেছে। তবে সে তথ্য পাচার করেছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে একথা জানান ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির যে অডিও রেকর্ড পাওয়া গেছে তা নিশ্চিত করা গেছে। সেটি তার কণ্ঠ ছিলো।’
গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাকিবুল হাসানের কথোপকথনের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, পুলিশের সক্ষমতা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কথা বলতে শোনা যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি পুলিশে বিভিন্ন পদে পদায়নের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের কথাও অডিওতে ছিল।
অডিও ছড়িয়ে পড়ার পরদিন রাকিবুল হাসানকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে তাকে রাজধানীর রাজারবাগে ডিএমপি সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ডিএমপি। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর রাজারবাগ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওসি রাকিবুলকে।
ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান কথা বলেন আওয়ামী লীগ নিয়েও। ডিবি প্রধান জানান, ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যেকোন অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
শফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা উদ্যান থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাজু, শরিফ নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছে ক্যাপসুল তৈরির মেশিন ছিলো। যার বাজার মূল্য কোটি টাকা। এসব ওষুধ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তার মধ্যে শিশুদের ওষুধও ছিল।


