ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, পল্টন মডেল থানার ২০২৫ সালের ১৯ মে দায়ের করা মামলায় জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। মামলাটি পুলিশের আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ মে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য, অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতারা রাজধানীর গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম ও আশপাশের এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে সমবেত হন।
ওই সময় পুলিশ সদস্যরা বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের বিপরীত পাশে হোটেল ইম্পেরিয়ালের সামনে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ জন বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যান বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, তদন্তে জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ, সংগঠনের আদর্শ ও কর্মকাণ্ড সমর্থন, অপরাধের ষড়যন্ত্র ও প্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন সরকারবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে তার নেতৃত্ব দেওয়ার তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
এর আগে একই আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ১১ মার্চ থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এবার তাকে পল্টন থানার মামলা নম্বর ৩৮-এ গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ।
আদালত শুনানি শেষে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


