বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে মাঠে নেমেছে। তিনি বলেন, জনগণকে অত্যন্ত সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।
সোমবার দুপুরে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এর পর দেশের মানুষ প্রতিবাদে সোচ্চার হলে বাঁচার জন্য বলা হচ্ছে, ওই নেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়নি। একটি রাজনৈতিক দল সব সময়ই মিথ্যা কথা বলে আসছে।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘যারা দেশের মানুষের কাছে মিথ্যা বলে, তারাই আবার মানুষের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে। এটাই তাদের চরিত্র।’ তিনি সবাইকে এসব বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ওই রাজনৈতিক দলের ভূমিকার কারণে ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মা ও বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
যশোরের অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হলো ফুল চাষ। গার্মেন্টস পণ্যের মতো ফুলও বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে।
জনসভা মঞ্চ থেকে যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাত জেলার বিএনপি মনোনীত ২২ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। তিনি এই অঞ্চলের জনগণকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হেসেন খোকন।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেহেদী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী ও নার্গিস বেগম, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এবং যশোর-৩ আসনের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ অন্যরা।


