ঢাকার নদীবন্দর সদরঘাটে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ কমাতে এবং যাত্রীদের বিকল্প নৌপথে যাতায়াত সহজ করতে বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন লঞ্চঘাট ও পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে।
শনিবার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানায়, ১৭ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বছিলা লঞ্চঘাট থেকে ৬টি এবং শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে ৩টি লঞ্চ বিভিন্ন নৌপথে যাত্রী পরিবহন করবে।
বছিলা লঞ্চঘাট থেকে সকাল ৭টায় এমভি টিপু লঞ্চ সদরঘাট হয়ে হাকিমুদ্দিনের উদ্দেশে যাত্রা করবে এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে এমভি ইমাম হাসান-৫ সদরঘাট হয়ে শরীয়তপুর যাবে। সকাল ১১টায় এমভি ঈগল-৪ সদরঘাট হয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশে ছাড়বে।
দুপুর ১২টায় এমভি টিপু-৬ সদরঘাট হয়ে ইলিশা যাবে এবং দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে এমভি বোগদাদীয়া-১২ ও এমভি শরিয়তপুর-৩ সদরঘাট হয়ে গলাচিপার উদ্দেশে যাত্রা করবে। বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে এমভি ইয়াদ-১ সদরঘাট হয়ে ইলিশার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
অন্যদিকে, শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে সকাল ৮টায় এমভি সমতা অ্যান্ড সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস এবং সকাল ৯টায় এমভি সমতা সমৃদ্ধি-১ চাঁদপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে।
একই ঘাট থেকে সকাল ৮টায় এমভি রাজারহাট বি বরিশালের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এবং একই লঞ্চ সন্ধ্যা ৭টায় বরিশাল থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ফিরবে।
ঈদযাত্রায় যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সদরঘাটে প্রবীণ ও নারী যাত্রীদের ব্যবহার্য মালামাল বহনে টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি বা পোর্টার সেবা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য সদরঘাট ও বরিশাল নদী বন্দরে হুইলচেয়ার সেবার ব্যবস্থাও থাকবে।
বিআইডব্লিউটিএ আশা করছে, এসব উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে এবং যাত্রীদের সহযোগিতাও কামনা করেছে সংস্থাটি।


