‘শাপলা’ ছাড়া অন্য কোনো প্রতীক জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমাদের ‘শাপলা’ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন কমিশন ‘শাপলা’ না দেওয়ার পক্ষে কোনো আইনগত ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে মনে হচ্ছে তারা প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে।’
রোববার রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভবনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের রিমোট কন্ট্রোল এখন আর আগারগাঁওয়ে নেই। তারা যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, সেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’
‘এভাবে চলতে থাকলে এ কমিশন দিয়ে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়’ বলেও দাবি করেন তিনি।
এনসিপির এই শীর্ষ নেতার অভিযোগ- নির্বাচন কমিশনের কাজ মধ্যযুগীয় রাজা-বাদশাদের মতো হয়ে গেছে। তারা কারও ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।
নির্বাচন কমিশনকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ অ্যাখ্যা দিয়ে হাসনাত বলেন, ‘এই কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা নেই। ‘শাপলা’ ছাড়া কোনো প্রতীক আমরা গ্রহণ করব না।’
নির্বাচন কমিশনের তালিকা থেকে প্রতীক বাছাইয়ের শেষ দিন ছিল রোববার। কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী ৫০টি প্রতীক থেকে একটি বেছে নিতে এনসিপিকে চিঠি দেওয়া হয়। তবে এনসিপি জানায়, তারা ‘শাপলা’ প্রতীকের সাতটি নমুনা জমা দিয়েছেন এবং ওই প্রতীক ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে ইসি বলছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতীক বাছাই না করলে কমিশন নিজ বিবেচনায় প্রতীক বরাদ্দ দেবে। ওই প্রতীকেই দলটিকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।


