আমরা টাকা ছাপাতে চাই না: অর্থমন্ত্রী

আমরা টাকা ছাপাতে চাই না: অর্থমন্ত্রী
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী | ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যাওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, টাকা ছাপাতে চান না। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির তাগিদও দেন তিনি। 

বুধবার ঢাকার আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে এনবিআরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন কথা বলেন।

প্রায়ই বলা হয় বাংলাদেশের কর–জিডিপি অনুপাত কম। জিডিপির আকার নিয়েও প্রশ্ন আছে। এ ক্ষেত্রে কোনো পর্যালোচনা করবেন কি না, প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপির আকারের সঙ্গে কর–জিডিপি রেশিও– সবই সম্পর্কিত। অর্থনীতিকে যদি আমরা চাঙ্গা করতে না পারি, দিনের শেষে ট্যাক্স–জিডিপি বাড়ানো কঠিন। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি। আমরা টাকা ছাপাতে চাই না। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।’

সেটা মাথায় রেখেই বাজেট করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখতে পারে। আমাদের বড় সমস্যা হচ্ছে—আমরা নীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারি না। নীতি পরিবর্তন হলে বিনিয়োগকারীদের কাছে ভুল বার্তা যায়। আমরা চাই নীতিগুলো নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য স্থিতিশীল থাকুক, যাতে বিনিয়োগকারীরা পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করতে পারেন।’

‘এই আস্থা না থাকলে কেউ বিনিয়োগ করবে না—না দেশি, না বিদেশি। বিষয়গুলো আমরা পর্যালোচনা করছি। এটা এখনো ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস।’

আরও পড়ুন

বড় প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি নিয়ে অনুসন্ধানের কোনো অগ্রগতি আছে কিনা, জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবকিছুই পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এনবিআর দুই ভাগ করার বিষয়ে অগ্রগতি আছে কিনা, প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটাও আলোচনায় আছে।

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন নিয়ে কোনো সুসংবাদ আছে কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রক্রিয়া চলছে। এটা জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসক) যাবে, ওখান থেকে জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে যাবে। দেখা যাক কী হয়।

সামনে বাজেট—রাজস্ব আহরণ নিয়ে কোনো দিকনির্দেশনা আছে কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এই যে এতক্ষণ ধরে কী করলাম! রাজস্ব আহরণের চিন্তা। আমাদের ধরেন, রাজস্ব আহরণ করতে গিয়ে বাংলাদেশের মহিলাদের কিছু বিষয় আছে, এখানে ছোট ব্যবসায়ীদের বিষয় আছে, বিনিয়োগের বিষয় আছে, সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের বিষয় আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এমন একটা বাজেট করতে চাই, যেখানে এসব বিষয়কে আমরা অ্যাড্রেস করতে পারি।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad