শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
রোববার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ‘কায়রোপ্র্যাক্টর’ বলে অভিহিত করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপরই বর্তায়। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কারণ, শিক্ষকেরা হচ্ছেন জাতির কায়রোপ্র্যাক্টর, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।’

রোববার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন এহছানুল হক মিলন। নতুন জাতীয়করণকৃত কলেজ-শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নায়েম।

এ সময় প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকে যেন লিখিতভাবে তাদের সুপারিশ জমা দেন, যাতে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও উন্নত করা যায়। শিক্ষকদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।’

আরও পড়ুন

শিক্ষা খাতকে ‘ইবাদতখানা’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সৃষ্ট প্রতিটি ভালো ফলাফল সাদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা শিক্ষককে দীর্ঘ মেয়াদে উপকৃত করে। শিক্ষকদের এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নিজেদের শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে তাদের গড়ে তুলতে হবে। কারণ, শিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নেনের বিষয়টি কোনো ব্যক্তি বা সরকারের একক এজেন্ডা নয়; বরং এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।’

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা দূর করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সময় এসেছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নতুন জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকরা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad