সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহাসিক শাহ শরিফ জিন্দানি (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে জমা পড়েছে ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা। সোমবার দুপুরে দানবাক্স খোলার পর দিনভর গণনা শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মাজার পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোমবার জোহরের নামাজের পর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দানবাক্সের তালা খোলা হয়। এরপর শুরু হয় দান করা টাকা গণনার কার্যক্রম। দীর্ঘ সময় ধরে গণনা শেষে মোট ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা পাওয়া যায়।
টাকা গণনার সময় মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান, কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। গণনা শেষে নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো টাকা তাড়াশ থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুসরাত জাহান টাইমসকে বলেন, তিন মাস পর নিয়ম অনুযায়ী দানবাক্সের তালা খুলে টাকা গণনা করা হয়েছে। এতে মোট ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। টাকা নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, মাজারের দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ মাজারের উন্নয়ন ও সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হয়। পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন সময় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য অনুদানও দেওয়া হয়ে থাকে। দানের অর্থ যাতে স্বচ্ছতা ও নিয়মের মধ্যে ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক বলেন, তিন মাস পর দানবাক্স খোলা হয়েছে। গণনা শেষে ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। গণনা সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরের একটি ব্যাংকে টাকা জমা রাখা হয়েছে।
মাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দানবাক্সের অর্থ নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকে জমা রাখা হবে। পরবর্তীতে মাজারের উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ ও জনকল্যাণমূলক কাজে প্রয়োজন অনুযায়ী এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
আরও পড়ুন: শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৯ লাখ টাকা


