রাজধানীর মুগদা ও বাড্ডা এলাকা থেকে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন আরিয়ান ফারদিন (২৩) ও মেহেরিন আক্তার মীম (২৫)।
মঙ্গলবার রাতে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু ইউসুফ মৃধা জানান, আরিয়ানের বাবার নাম রফিকুল ইসলাম খোকন। তাদের স্থায়ী ঠিকানা পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকায়। উচ্চমাধ্যমিক পাস করা আরিয়ান বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকালে তার মা বাসায় গিয়ে কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ফোন করেও সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আরিয়ানকে দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার বিকালে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
অন্যদিকে, বাড্ডার মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার এলাকার একটি ভবনের সপ্তম তলার বাসা থেকে মেহেরিন আক্তার মীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোছা. আনোয়ারা আক্তারের সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী, মীমের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায়। তিন মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে আবদুল্লাহ আল রাব্বী নামে এক যুবককে বিয়ে করেন তিনি। রাব্বী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। মীম ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।
পুলিশ জানায়, মীম স্বামীর সঙ্গে মেরুল কাঁচাবাজার গলির পারভীন হক মঞ্জিলের সপ্তম তলার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে মীমের পরিবার মেনে নেয়নি বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার মীমের মা ফোনে তাকে বকাঝকা করেন। এর জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে ওই বাসা থেকে মীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে তার শরীরে দৃশ্যমান কোনো জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে গলায় অর্ধচন্দ্রাকৃতির কালো দাগ ছিল।


