যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে। এছাড়া সদস্য হিসেবে থাকবেন, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (ফিন্যান্স এন্ড পারফরমেন্স ম্যানেজমেন্ট অধিশাখা), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (সীড ফাইন্যান্সিং)। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন অধিশাখা)।
শনিবার সকাল ১১টায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদে নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। ঢাকার প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। ২৪২টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন তিন লাখের বেশি প্রার্থী।
তবে পরীক্ষার আগে শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়, অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে তিনি এক আত্মীয়ের সহযোগিতায় প্রার্থীদের সঙ্গে জনপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার চুক্তি করেছেন বলেও দাবি করা হয় ওই পোস্টে।
এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকালে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
এর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকার বেশ কয়েকটি মূল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এতে সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ যাত্রীদের।


