ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে জনসচেতনতা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও দ্রুত রোগ শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি।
তিনি বলেন, নারীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানের রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে ট্যালেন্ট শার্পনার আয়োজিত ‘পিংক ওয়েলবিয়িং: আ জার্নি অব ব্রেস্ট ক্যানসার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্ট্রংগার টুগেদার ফর অ্যা হেলদিয়ার টুমরো’।
চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ এ দেশের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে দক্ষ, সুস্থ ও স্বাবলম্বী মানবসম্পদে পরিণত করতে কাজ করছেন। দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ নারী। তাই নারীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য জরুরি।
তিনি বলেন, ‘ব্রেস্ট ক্যানসার ও সার্ভাইক্যাল ক্যানসার নারীদের জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। নারী শিক্ষার্থী ও তরুণীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। স্বাস্থ্যবিষয়ক সামাজিক ট্যাবু ও সংকোচও দূর করতে হবে।’
সরকারি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানান তিনি। বিশেষজ্ঞদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও কর্মপরিকল্পনা পেলে তা প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের আশ্বাস দেন চিফ হুইপ। একই সঙ্গে নিয়মিত পরীক্ষা, দ্রুত রোগ শনাক্ত ও সময়মতো চিকিৎসা নিতে নারীদের উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সহজবোধ্য ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য প্রচারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একজন মা সুস্থ থাকলে পরিবার ও সমাজ সুস্থ থাকে। তাই ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত ও সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের পাশে দাঁড়ানো সবার সামাজিক দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে প্যানেল আলোচনায় ব্রেস্ট ক্যানসারের লক্ষণ, রোগ শনাক্তকরণ, পরীক্ষা, চিকিৎসা ও রোগীদের করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন ট্যালেন্ট শার্পনারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়িকা হক।


