‘ভ্রমণরোধ’ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দেওয়ার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।
শনিবার বিকালে টাইমস অব বাংলাদেশকে মোবাইল ফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
সোহেল তাজ বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি একাধিকবার বিদেশে গেছেন। কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। বুধবার বাধা দেওয়ার পর তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। বোরবার আটকে দেওয়ার কারণ জানতে পারব।’
স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) প্রধান অতিরিক্ত আইজি গোলাম রসুল বলেছেন, পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সোহেল তাজের দেশের বাইরে যাওয়ার ব্যাপারে বিধিনিষেধ রয়েছে। সেজন্য তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দরের বিশেষ সুপার (এসএস) ইমিগ্রেশন জানিয়েছেন ‘ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা’ থাকায় সোহেল তাজকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ছোট মেয়ে ও সোহেল তাজের বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি এ প্রতিবেদককে জানান, সোহেল তাজের বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে কাতার এয়ারওয়েজে করে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল সোহেল তাজের। এজন্য তিনি বিমানবন্দরে যান। কিন্তু ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০১ সালের নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সোহেল তাজ। ২০০৮ সালে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সোহেল তাজ। একই বছরের ৩১ মে মন্ত্রিসভা থেকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন সোহেল তাজ।


