চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এটিকে ফলাফল বিপর্যয় বলে মনে হলেও তা মানতে নারাজ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।
তার মতে, এটিই বাস্তবতা।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা হয়তো লেখাপড়া বিমুখ হয়েছে। পড়ার টেবিল থেকে দূরে থাকার কারণেই ফল এরকম হয়েছে বলে ধারণা করছি।’
বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসব কথা বলেণ তিনি।
এবারের ফলাফলে দেখা গেছে, পাসের হার মাত্র ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অথচ গত বছর পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, ‘পাসের হার বাড়ানোর জন্য কাউকে কোনো নির্দেশনা দিইনি। সরকার থেকেও নিয়ম মেনে সবকিছু করার নির্দেশনা দেওয়া ছিল। যেটা বাস্তবতা সেটাই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।’
তবে এই ফলাফলকে ফল বিপর্যয় না বলে বাস্তবতা বলা উচিত, মত তার।
এই ফলাফলের পর নিজেদের অবস্থান মূল্যায়নের জন্য শিক্ষার্থীদের বসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই ফলাফলের কারণ বিশ্লেষণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও বসতে হবে। বোর্ডগুলোকেও বসতে হবে।’


