অর্থের বিনিময়ে রাজসাক্ষী করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আমার ব্যাপারে আনীত অভিযোগের সপক্ষে সামান্য তথ্য-প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমি এবং প্রসিকিউশন টিমের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ ও আইনসম্মত।’
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সোমবার তাজুলকে সরিয়ে আমিনুল ইসলামকে চিফ প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ দেয় সরকার।
সেদিনিই এক ফেসবুক পোস্টে আরেক প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ দাবি করেন, চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে তাজুল টাকা বানানোর মেশিন বানিয়েছিলেন। তিনি অর্থের বিনিময়ে রাজসাক্ষী বানিয়ে আসামিকে ছাড় দিয়েছেন।
এ অভিযোগ নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।
এমন প্রেক্ষাপটে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবে তাজুল ইসলাম লিখিত বিবৃতি দিলেন।
তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগ জঘন্য মিথ্যাচার, তথ্য প্রমাণবিহীন এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দূরভিসন্ধি থেকে করা হয়েছে। বিদ্বেষপ্রসূত ও অভিযোগগুলো সর্বতোভাবে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।’
তাজুল ইসলামের দাবি, পতিত স্বৈরাচার এবং গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকৃত এবং চলমান বিচার প্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল সংঘবদ্ধভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। যাতে এই বিচার আর কোনভাবে অগ্রসর না হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমার দায়িত্বপালনকালে আমার বিরুদ্ধে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ কেউ পায়নি। আমি বিদায় নেওয়ার পর বিশেষ মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’
সবাইকে এই ধরনের মিথ্যাচার এবং ঘৃণ্য অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানান তাজুল ইসলাম।


