রাজধানীর মিরপুরে দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার তৎকালীন তিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জাহিদুল ইসলামের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল।
তবে এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হননি। পরে আদালত আগামী ১২ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। ওই দিন চারজনকে সাক্ষ্য দিতে হাজির করার জন্য জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া।
পরোয়ানাভুক্ত তিন ম্যাজিস্ট্রেট হলেন আতিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও মইনুল ইসলাম। তারা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে দায়িত্ব পালনকালে এ মামলার তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন। অপরজন হলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।
এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী আদালতে সাক্ষ্য দেন। তিনি এ মামলার আসামি রাসেল হোসেনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন। মামলাটিতে মোট ২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
যেভাবে হত্যা করা হয় বুলবুলকে
২০২২ সালের ২৭ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল। এ ঘটনায় তার স্ত্রী শাম্মী আক্তার বাদী হয়ে ওই দিনই মিরপুর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।


