‘তরুণদের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণ রাজনৈতিক অস্থিরতা’ 

‘তরুণদের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণ রাজনৈতিক অস্থিরতা’ 
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘বন্ধু সমাজ’র আলোচনা সভা। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

স্বাধীনতার পর থেকে গত ৫৪ বছরে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাই তরুণপ্রজন্মকে উচ্ছৃঙ্খল হতে প্ররোচিত করেছে। রাজনৈতিক নেতারা যদি একে অন্যের পেছনে লেগে থাকার প্রবণতা বাদ দিতে পারেন, তাহলে দেশের জনগণ খুশি হবে। তখনই দেশ প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যাবে।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন বন্ধু সমাজ নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বক্তারা আরও বলেন, ‘দেশ থেকে দুর্নীতি ও সহিংসতা দূর করতে হলে সবার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে ভয়াবহ সহিংস পরিবেশ থেকে বাঁচাতে এখনই আমাদের মতবিভেদ কমাতে হবে। নাহলে আমাদের সন্তানরা এক অনিরাপদ সামাজিক বাস্তবতার মুখোমুখি হবে।’

এ সময় দেশের সব জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে বন্ধু সমাজের কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন সংগঠনের সভাপতি এফ আহমেদ খান রাজীব।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘বন্ধু সমাজের প্রতিটি স্থানীয় কমিটি যেকোনো স্থানীয় বিভেদ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে। সমাজ থেকে হিংসা দূর করতে এটি নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।’

‘সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা হলেন শান্তির দূত। তারা যদি ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন, তাহলে সমাজ থেকে সংঘাত উঠে যাবে,’যোগ করেন তিনি।

আলী আকবর বলেন, ‘ছোট থেকে সন্তানদের সুশিক্ষা দিতে হবে। পারিবারিক মূল্যবোধ শক্তিশালী করতে হবে। তাহলে সমাজের বিশৃঙ্খলা কমে যাবে।’

আনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের লিবারেল গ্রীন পার্টির সভাপতি কে সি মজুমদার খোকন, মানচিত্র বাংলাদেশের সদস্য সচিব মো. ফরহাদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা জুলহাস চৌধুরী পলাশ, খোরশেদ আলম খসরু, বন্ধু সমাজের নেতা শিহাব রিফাত আলম,  শরীফ সাকী, অধ্যাপক শহীদ মঞ্জু প্রমুখ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad