ডাকসু নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের

ডাকসু নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ লোগো। ছবি: ফেসবুক থেকে
Advertisement
Advertisement

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে কটূক্তির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।

বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের ডাকসু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে করা মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন, অশালীন ও মিথ্যাচারমূলক উল্লেখ করে রোববার যৌথ বিবৃতি দেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ দেশের জ্ঞান, চিন্তা ও সংগ্রামের বাতিঘর। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা বলে কটূক্তি করা শুধু চরম নৈতিক অধঃপতনের বহিঃপ্রকাশ নয়। বরং এটি নারীর মর্যাদা, শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা এবং সভ্য সমাজের মৌলিক মূল্যবোধের উপর সরাসরি আঘাত। এটি দেশের স্বনামধন্য একটি শিক্ষা কাঠামোর প্রতি অবমাননা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করা।

তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের চরিত্রহনন ও অপমান কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। যারা ইসলাম, নৈতিকতা ও শালীনতার কথা বলে নারীদের সম্মানহানি করে তারা ইসলামের নাম ব্যবহারের ন্যূনতম নৈতিক অধিকারও রাখে না।

আরও পড়ুন

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে মো. শামীম আহসানকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষকে এই ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা বলেন, আমরা অত্যন্ত ক্ষোভ ও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, জামায়াত-শিবির সমর্থিত একটি অংশ প্রতিবাদের মুখে পড়েও অনুতপ্ত হওয়ার পরিবর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও জঘন্য, অশ্লীল ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছে। এটি প্রমাণ করে, এই বক্তব্য কোনো বিচ্ছিন্ন মন্তব্য নয়। বরং একটি বিকৃত মানসিকতা ও নারী-বিদ্বেষী রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ।

ইসলাম নারীর সম্মান রক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষা দেয়। যে শক্তি নারীদের অপমান করে রাজনীতি করতে চায়, তারা ইসলামের নয় বরং কাঠামোগত নারীবিদ্বেষের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে এমন অশালীন বক্তব্য ও মন্তব্যের জন্য প্রস্তুত নই। ভবিষ্যতে এ ধরনের নোংরা রাজনীতি ও চরিত্রহননের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচী নিতে হলে তার সম্পূর্ণ দায় কটূক্তিকারীদেরকেই বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad