চট্টগ্রাম থেকেই শ্রমিকদের কল্যাণ, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার কার্যকর উদ্যোগ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি, কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের মৌলিক সুবিধাগুলো একসঙ্গে বাস্তবায়ন কঠিন হলেও এক বা দুটি উদ্যোগ দিয়ে কাজ শুরু করা সম্ভব। একটি সফল উদ্যোগ অন্য এলাকাগুলোকে উৎসাহিত করবে। বড় স্থায়ী ভবন নির্মাণে সময় না নিয়ে স্টিল স্ট্রাকচারের মাধ্যমে কয়েক মাসের মধ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ প্রয়োজনীয় সেবা চালু করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে শ্রমিক কল্যাণমূলক কাজের জন্য জায়গা বরাদ্দের বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আইন ও নীতিমালায় ব্যবস্থা থাকলেও তা যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিল্পমালিকদের সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, চট্টগ্রামের এই দৃশ্যমান কার্যক্রমের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।
সভায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে আবাসন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এটি নিশ্চিত করা গেলে শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা ও স্পৃহা বৃদ্ধি পাবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তালুকদার, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সাঈদ আল নোমান এবং শিল্প পুলিশ সুপার মাহমুদা বেগম।
মতবিনিময় সভার আগে মন্ত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের জন্য ট্রলি কার্যক্রমের উদ্বোধন ও প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স পরিদর্শন করেন।


