পিরোজপুরের কাউখালীতে জেসমিন বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘরের আলমারি ভেঙে মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাতের কোনো একসময় উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী গ্রামের বান্দাঘাটা এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিহত জেসমিন বেগম ওই এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা প্রয়াত কেরামত আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির বাগানে সুপারি পাড়তে আসেন শ্রমিক মাহাফুজ। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও জেসমিনের কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি ঘরের ভেতরে খোঁজ নিতে যান। ভেতরে ঢুকে তিনি খাটের ওপর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় মরদেহটি বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
ঘটনাস্থলে ঘরের বিভিন্ন মালামাল তছনছ এবং আলমারি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিবেশী ও স্বজনদের বিষয়টি জানান। পরে স্বজনেরা খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
খবর পেয়ে কাউখালী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীকালে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এবং নেছারাবাদ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণয় রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনের মাধ্যমে তথ্যাদি সংগ্রহ করেন।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতি কি না, তাসহ ঘটনার সার্বিক সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।


