এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে | ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’ স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৪ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় ঢাকার ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক ও শ্রমিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গত এক বছরের কর্মসূচি নিয়ে ডকুমেন্টারি ও চিত্র প্রদর্শনীও থাকবে।

আদীব বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে আমরা দেখেছি সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র, শ্রমিক, জনতা, সকল পেশাজীবী মানুষ একসাথে অংশগ্রহণ করেছে। ফলে আজকের এই এক বছর পূর্তিতে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা–নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সেই লক্ষ্যে যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছেন, জীবন দিয়েছেন, সেইসব শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছি।’

সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আদীব বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের যেই প্রক্রিয়ায় গভর্নর নিয়োগ হয়েছে, সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। আমরা দেখেছি যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা আওয়ামীপন্থী, তারাই এখন আন্দোলন করছে এই গভর্নরের বিরুদ্ধে, যা এর আগে কখনো ঘটেনি।’

আরও পড়ুন

দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে সরকারকে সতর্ক করে বলেন, ‘যদি আগামী ১২ তারিখে ডাকা সংসদ অধিবেশনে সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে কোনো উদ্যোগ না নেয়, তাহলে অবশ্যই এটা বাংলাদেশকে একটা অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাবে। এবং সে ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে সরকারকে।’

তুষার আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র ও সংস্কারের প্রতি এনসিপি সবচেয়ে বেশি কমিটমেন্ট দেখিয়ে এসেছে। সংসদের ভেতরে এবং বাইরে–উভয় ক্ষেত্রেই এনসিপি তার ভূমিকা রাখবে।’

কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের পর দেশের বিভিন্ন বিভাগে ধারাবাহিকভাবে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ২ মার্চ চট্টগ্রাম দিয়ে শুরু হয়ে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর ঘুরে ১৪ মার্চ ঢাকা মহানগর দক্ষিণে শেষ হবে এই কর্মসূচি। প্রতিটি বিভাগীয় অনুষ্ঠানে স্থানীয় শহীদ পরিবার, গুণীজন ও দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একই আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে দলটি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর