অসময়ের বৃষ্টিতে বিপাকে বইমেলা, শেষ শিশুপ্রহরে নেই কোলাহল

অসময়ের বৃষ্টিতে বিপাকে বইমেলা, শেষ শিশুপ্রহরে নেই কোলাহল
বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া বই রোদে শুকাতে দিয়েছেন স্টল মালিকরা। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
Advertisement
Advertisement

অমর একুশে বইমেলা শেষ হওয়ার আর একদিন বাকি। রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে। তবে শেষ সময়ে এসেও এবার মেলার চিরায়ত রূপের দেখা মিলছে না। নেই কাঙ্ক্ষিত বেচাকেনা।

তারওপর শুক্রবার সন্ধ্যার হঠাৎ বৃষ্টিতে যেন মাথায় বাজ পড়ার মতো অবস্থা স্টল মালিক ও প্রকাশকদের। বড় প্রকাশকদের স্টল বৃষ্টিতে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও ছোট স্টলগুলোর বেশিরভাগ বই বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। ঝড়ো বাতাসের কবলে অনেক স্টলের সাইনবোর্ড, বই সাজানোর শেলফও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পলিথিন ও ত্রিপলের ওপর ভিজে যাওয়া বই রোদে শুকাতে দিয়েছেন স্টল কর্মীরা। কিছু স্টলে চলছে মেরামতের কাজ।

এদিকে শনিবারই এবারের বইমেলার শেষ শিশুপ্রহর। সকাল ১১টা থেকে শিশু প্রহর চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। অন্য বছরগুলোতে মেলার সারা মাসের ছুটির দিনগুলোতে বাবা মায়ের হাত ধরে মেলা ঘুরতে আসে হাজারও শিশু। পছন্দের বই কিনে, পাপেট শো দেখে হাসি-খেলায় মাতিয়ে রাখে মেলা প্রাঙ্গন।

তবে এবারের মেলার শিশুপ্রহরের চিত্র বেশ আলাদা। তৃতীয় ও চতুর্থ শিশুপ্রহর কিছুটা জমে উঠলেও শেষটিতে শিশুদের কলকাকলি প্রায় নেই বললেই চলে। কাজেই শিশুপ্রহর ঘিরে স্টল মালিকদের ব্যস্ততাও বেশ কম।

জান্নাতুল ফেরদাউসের ক্যামেরায় বৃষ্টিভেজা মেলার ছবি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

একদিকে কর্মীরা ক্রেতাদের বই দেখাচ্ছেন, অন্যদিকে চলছে ভেজা বই আলাদা করার কাজ। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ঝড়ো বাতাসে হেলে পড়েছে বিভিন্ন স্টলের সাইনবোর্ড। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ক্ষতিগ্রস্ত স্টলগুলোতে চলছে মেরামতের কাজ। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
বৃষ্টির কবল থেকে বই বাঁচাতে তা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখেন প্রকাশকরা। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
ঝড় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মেলা প্রাঙ্গনের পুলিশ ওয়াচ টাওয়ার। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
শিশু প্রহরেও প্রায় নিরব মেলাপ্রাঙ্গন। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
বৃষ্টির ছাঁট থেকে বই বাচানোর চেষ্টা করেছেন প্রকাশক ও স্টল মালিকরা। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad