জুলাই জাতীয় সনদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে জুলাই জাতীয় সনদকে অবৈধ, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বেআইনি ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। রিটের বিষয়টি তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন।
রিটে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ কেন অসাংবিধানিক, অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
রিটে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত গণভোট নির্বাচন অসাংবিধানিক ও অবৈধ। জুলাই জাতীয় সনদের অধীনে গণভোট আয়োজন সংবিধানের ৬৫, ১২৩ (৩) (৪) এবং ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি এবং আরপিওর ১১ অনুচ্ছেদ বিরোধী। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বহাল রয়েছে। অতএব অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গণভোট আয়োজন সংবিধান ও আইনবিরোধী। জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধানের গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
সংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো বিধান নেই। অতএব জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এবং এর অধীনে অনুষ্ঠিত গণভোট অসাংবিধানিক।
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ জনস্বার্থে এ রিট করেন।


