চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথবাহিনীর হেফাজতে মারা যাওয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে জীবননগর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

গত সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাফিজ ফার্মেসি থেকে ডাবলুকে তুলে নেওয়া হয়। পরে পাশেই পৌর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যালয়ে নিয়ে নির্যাতন করলে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা। পরে চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্প থেকে অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার করা হয় বলে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল জীবননগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে সেটি এখনো মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে, ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে শোনা গেছে। এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. তারিক-উজ-জামানকে।


