বিশ্বকাপে নজর, চার নম্বরে নতুন চ্যালেঞ্জ

বিশ্বকাপে নজর, চার নম্বরে নতুন চ্যালেঞ্জ
চার নম্বর পজিশনে বেশ মানিয়ে নিয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন, সিলেট টাইটান্সের হয়ে তিন ইনিংসে করেছেন দুই ফিফটি। ছবি: বিসিবি
Advertisement
Advertisement

পারভেজ হোসেন ইমন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি ওপেনার। এখন পর্যন্ত ব্যাট করেছেন ৩০টি ইনিংসে। এর মধ্যে ২৮ বারই ইনিংস ওপেন করেছেন, মাত্র দুইবার ব্যাট করেছেন এর বাইরে তিন ও চার নম্বর পজিশনে। নিজের আদর্শ ব্যাটিং পজিশন না হলেও এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলছেন চার নম্বরে। নতুন পজিশন হলেও সেখানে মানিয়ে নিয়ে নিজের সেরাটা দিতে একদমই সময় নেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩৩ বলে ৬৫, নোয়াখালীর বিপক্ষে ৪১ বলে করেছেন ৬০ রান। এরপর বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্যাপিটালসের বোলারদের পিটিয়ে ৩২ বলে করেছেন ৪৪ রান। সম্পূর্ণ নতুন এই দায়িত্ব আর পজিশনে কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছেন ইমন? ফেব্রুয়ারি-মার্চের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কেমন মানসিক প্রস্তুতি তার?

টাইমস অফ বাংলাদেশেকে সিলেট আউটার স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে ইমন জানালেন নতুন চ্যালেঞ্জ সামলানোর গল্প। একান্ত সাক্ষাৎকারে শুনেছেন জুবায়ের তানিন-

সবসময় ওপেনিংয়ে  ব্যাট করলেও এবার চার নম্বরে ব্যাট করছেন। নতুন রোলটা কেমন উপভোগ করছেন? 

বেশ উপভোগ করছি। একটু চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিচ্ছি। আসলে নাম্বার ফোরে বেশি আমি কখনো ওভাবে খেলিনি। তো একটা নতুন রোল। চেষ্টা করছি নিজের সেরাটা ওখানে দেওয়ার।

আপনার উইকেট কিপিংটাও দুটা ম্যাচে দেখলাম। বেশ ভালো কয়টা ক্যাচ ধরেছেন, ভালো কিছু এটেম্পট ছিল। ঘরোয়া ক্রিকেটেও কিপিং করেছেন, কিন্তু ওভাবে সামনে আসেনি।  এই ব্যাপারটা একটা প্লাস পয়েন্ট কিনা আপনার জন্য, একাদশে জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে…

অবশ্যই একটা সেকেন্ড অপশন থাকা তো ভালো। চেষ্টা করছি ভালো করার। কারণ  এখানে একটা ভালো একটা সুযোগ পেয়েছি, এই জিনিসটা যেন ভালোভাবে করতে পারি।

আরও পড়ুন

চার নম্বরে তো আগে ব্যাট করেননি। তবুও দুটো ফিফটি পেয়েছেন। নতুন এই রোলে মানিয়ে নেয়ার পেছনে টেকনিক্যাল ব্যাপারটা বেশি কাজ করেছে নাকি মানসিকভাবে নতুন করে ভাবতে হয়েছে? 

এখানে আসলে মানসিক প্রস্তুতিটা ছিল সবচাইতে বেশি ইম্পর্টেন্ট। চেষ্টা করছি ওখানে গিয়ে কীভাবে ভালো খেলা যায়। সুযোগটা কাজে লাগানোর সব ধরনের চেষ্টাই করছি।

চার নম্বরে ব্যাট করার ব্যাপারে টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে কী বার্তা ছিল? আর সামনে যেহেতু বিশ্বকাপও আছে…

আমি আসলে আমার টিম ম্যানেজমেন্টকে বলছি যে আমি এই পজিশনেও কিছু ম্যাচ খেলতে চাই। সো আমার টিম ম্যানেজমেন্ট ঐ জিনিসটা আমাকে সাপোর্ট করছে। সামনে বিশ্বকাপ এই কারণেই আসলে সাপোর্ট করছে। মিরাজ ভাই আছে, কোচ সোহেল স্যারের অনেক অবদান এখানটায়…

আপনি ওপেনার হয়েও চার নম্বরে ব্যাট করতে পারেন, এটা আসলে টেকটিক্যাল ফ্লেক্সিবিলিটি কিনা ইলেভেনে? 

হ্যাঁ, আসলে এই জিনিসটাও ইম্পর্টেন্ট। যে প্লেয়ারকে যখন যেখানে দলের দরকার পড়ে ওখানে খেলতে পারাটা ইম্পর্টেন্ট। সো চেষ্টা করতেছি। আমি এখনো বলবো না নতুন রোলটা পুরো অ্যাডাপ্ট করে ফেলছি। শুধু চেষ্টা করছি নিজের সেরাটা দেয়ার।

ধরুন কোনো একটা ম্যাচে বাজে শটে আউট হয়ে গেলেন। এরপর ওখান থেকে আবার ফিরে আসার প্রসেসটা কেমন থাকে আপনার? 

ঐ জিনিসটা ঐখানে ভুলে যাওয়াটা সবচাইতে ইম্পর্টেন্ট। আর ঐটা নিয়ে যদি বেশি চিন্তা করি তখন মাইন্ডসেটটা ঐভাবে থাকে না। মাইন্ডসেটটা আস্তে আস্তে উইক হয়ে থাকে। সো চেষ্টা করি যত আর্লি জিনিসটা ভুলে যাওয়ার।

স্পিন তো এমনিতেই ভালো খেলেন এ্যান্ড আপনি ন্যাচারালি এগ্রেসিভ ওপেনার। এই দুটো জিনিস আসলে ব্যালেন্স করেন কিভাবে? 

হ্যাঁ, সিচুয়েশন বুঝতে হবে তখন। আসলে টিম কি চাচ্ছে বা সিচুয়েশন কি চাচ্ছে। কন্ডিশনটাও ইম্পর্টেন্ট অনেক। কন্ডিশন কি? সো ওইভাবে আসলে ব্যাটিং করতে হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad