নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্তে ১৪ বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, পুশইনের শিকার ওই ১৪ জনের মধ্যে রয়েছেন ছয় নারী, এক কিশোরী, তিন শিশু ও চার যুবক। প্রত্যেককে এক কাপড়ে রাতের আঁধারে ‘অমানবিকভাবে’ সীমান্তের এপারে ঠেলে দেওয়া হয়।
১৪ বিজিবির কালুপাড়া বিওপির টহল দল জানায়, রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতানা পাড়া আমবাগান এলাকায় সন্দেহভাজনভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে বিজিবি তাদের আটক করে।

আটককৃতরা জানিয়েছেন, তারা খুলনা, নড়াইল ও যশোর জেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রয়েছেন- খুলনার মহারাজপুরের বাদশা মিয়া (২০), ইমরান গাজী (৩৪), কয়রার নাজমুল হাসান (২৪), দিঘলিয়ার সুমা মোল্লা, রায়হান মোল্লা, নড়াইলের নুপুর খানম (২২), আশিকা (৪), মুনিয়া খাতুন (১৮), রাকেয়া শেখ (২৮), বাবু শিকদার (১৭), প্রিয়া শিকদার, ফাতেমা শেখ (৭), ববিতা শিকদার (৩৫) এবং যশোরের দুলি বেগম (৪০)।
বিজিবি জানায়, এদের সবাই কোনো না কোনো সময় সাতক্ষীরা ও বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং মুম্বাই শহরে অবস্থান করছিলেন। গত ৭ আগস্ট পুনে বিমানবন্দর থেকে তাদের আটক করে ভারতের বালুরঘাট থানা পুলিশের মাধ্যমে ১২৩ ব্যাটালিয়নের সানাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পে পাঠানো হয়। পরে তাদের গাড়িতে করে সীমান্তে এনে পুশইন করা হয়।
ধামইরহাট থানার ওসি মো. ইমাম জাফর বলেন, ‘বিজিবি আটককৃতদের থানায় হস্তান্তর করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


