গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫৯

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫৯
দক্ষিণ গাজার রাফায় খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রীর ব্যাগ বহন করছেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি: এপি
Advertisement
Advertisement

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় চারজন শিশুসহ কমপক্ষে ৫৯ নিহত হয়েছে।

ফিলিস্তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে যাওয়ার পথে কমপক্ষে ৩১ জন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে।

এসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) খবরে বলা হয়েছে, নিহত ৩১ জন ফিলিস্তিনি গাজার দক্ষিণে রাফার কাছে ইসরায়েল-সমর্থিত মার্কিন সংস্থা গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের পরিচালিত একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন।

রেড ক্রস জানিয়েছে, গুলির ঘটনার পর তাদের ফিল্ড হাসপাতাল গত এক বছরেরও বেশি সময়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃতদেহ গ্রহণ করেছে। এ সময়ে আহত হয়েছে ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। তাদের অধিকাংশের শরীরে গুলির চিহ্ন ছিল।

আল-আকসা মার্টির হাসপাতাল জানিয়েছে, গাজার কেন্দ্রীয় শহর দেইর আল-বালাহে বিমান হামলায় চার শিশুসহ ১৩ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণের খান ইউনিসে ১৫ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে নাসের হাসপাতাল।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন

শনিবার সন্ধ্যায়ও গাজার উত্তরের বেইত হানুন এলাকায় প্রচণ্ড বিমান হামলা অব্যাহত ছিল।

গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন দাবি করেছে, তাদের ত্রাণকেন্দ্রের আশপাশে কোনো সহিংসতা ঘটেনি।

তবে সংস্থাটির দুজন ঠিকাদার এপিকে জানিয়েছেন, খাদ্যের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি ও গ্রেনেড ছোঁড়া হয়েছে।

জাতিসংঘ ও অন্যান্য ত্রাণ সংস্থাগুলো বলেছে, ইসরায়েলি সামরিক নিষেধাজ্ঞা ও আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার কারণে গাজায় ত্রাণ বিতরণ কঠিন হয়ে পড়েছে এবং এর ফলে ব্যাপক লুটপাট চলছে।

জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলোর এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৩০ দিন পর প্রথমবারের মতো ১.৫ লাখ লিটার জ্বালানি গাজায় প্রবেশ করেছে, যা গাজায় টিকে থাকার মূল ভরসা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি ছাড়া হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, পরিবহনসহ সবকিছু অচল।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে দুই দিনের বৈঠকের পরও যুদ্ধবিরতি নিয়ে অগ্রগতি আসেনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad