বাংলাদেশ ও তুরস্কের জনগণের মধ্যে শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে এ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
শুক্রবার তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ জানান।
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ের নয় কিংবা কেবল কয়েক দশকের বিষয়ও নয়। তুরস্কের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক। আগামীতে এ সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
‘বাংলাদেশ ২.০-এর সংস্কারের বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তুরস্ক–বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত’ প্রতিপাদ্যে সম্মেলনটির আয়োজন করে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (সিপিএসআর)।
সম্মেলনে বাংলাদেশের চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়া, ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠন এবং বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে দুই দেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক ও গবেষকেরা অংশ নেন।
সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সাবেক উপদেষ্টা ও ইলদিরিম বেয়াজিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইয়াসিন আকতাই এবং যুক্তরাজ্যের সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস রেক্টর অধ্যাপক মেহমেদ আদাক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তুরস্কের পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ, তুরস্কের পার্লামেন্ট সদস্য মোস্তফা কায়া এবং বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম সালেহীসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধিরা।
সিপিএসআরের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। সমাপনী বক্তব্য দেন ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উসমান আকগুল।


