নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক ভবন ৮টি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থান ১৬৩ নং পাগলা মৌজায় স্থাপনের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ।
রোববার ‘থানা আছে যেই মৌজায়, উপজেলা চাই সেই মৌজায়’ স্লোগানে আয়োজিত এই মানববন্ধনে অংশ নিতে ঢাকায় আসার পথে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থকরা। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উপজেলার গয়েশপুর এলাকায় গাড়ি আটকে করা এই লাঠিাপেটায় বিএনপি নেতা বাহার উদ্দিনসহ অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ৮ জুলাই প্রকাশিত সরকারি গেজেটে প্রান্তিক ও একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়নের প্রান্তে অবস্থিত ১৪৩ নং নয়াবাড়ী মৌজায় উপজেলা সদর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অযৌক্তিক। অথচ পাগলা মৌজা ৮টি ইউনিয়নের ভৌগোলিক কেন্দ্রে অবস্থিত এবং সেখানে ইতিমধ্যে থানা, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজসহ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সরকারি অবকাঠামো বিদ্যমান।
এতে নতুন অবকাঠামো নির্মাণে সরকারের বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে এবং স্থানীয় জনগণও বিনামূল্যে আরও ৫ থেকে ৬ একর জমি প্রদানসহ নিচু জমি ভরাটে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
বক্তারা আরও জানান, জনমত যাচাই না করে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মামলা-গ্রেপ্তার চালিয়ে আন্দোলন দমনের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগ নয়াবাড়ী মৌজার প্রশাসনিক কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
আন্দোলনকারীরা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, কারাবন্দিদের মুক্তি এবং জনস্বার্থ বিবেচনায় মাওনা-গফরগাঁও আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন পাগলা মৌজাতেই উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের জোর দাবি জানান।
মানববন্ধনে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি এলাকার সমাজসেবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


