আগামী ২০২৭ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা নির্বাচনে আবারও সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেপ ব্ল্যাটারের বিদায়ের পর ২০১৬ সাল থেকে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার নেতৃত্বে থাকা ইনফান্তিনো এবার জয়ী হলে ২০৩১ সাল পর্যন্ত পদে বহাল থাকবেন।
ফিফার টুর্নামেন্টগুলোর অংশীদারিত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির একটি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইনফান্তিনো। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে উয়েফা বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রতিযোগিতা বর্জনের হুমকি দিয়েছে।
বিবেচ্য বিতর্কের বিষয়ে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপে সাংবাদিকদের কাছে ইনফান্তিনো সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তবে ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিফা সভাপতি গত এপ্রিলেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। স্বভাবতই, পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। ইনফান্তিনো নির্বাচনে লড়বেন।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ফিফা ও উয়েফার টানাপোড়েন তীব্র হয়েছে। ইনফান্তিনোর বিনিয়োগ পরিকল্পনা সংক্রান্ত নথিপত্র তলব করে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে উয়েফা এবং সুইজারল্যান্ডে ফৌজদারি অভিযোগের বিষয়ে সতর্ক করেছে। বিপরীতে উয়েফার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছে ফিফা।
বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর ইনফান্তিনোর পক্ষে সমর্থন কমতে শুরু করেছে। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় উয়েফা এখন বিকল্প প্রার্থীর সম্ভাবনা দেখছে।
নির্বাচনে জয়ের জন্য ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে অন্তত ১০৬টির সমর্থন প্রয়োজন। প্রার্থী মনোনয়নের শেষ সময় আগামী ১৮ নভেম্বর হলেও এখন পর্যন্ত কোনো একক প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম চূড়ান্ত হয়নি। তবে কনফেডারেশন অব নর্থ, সেন্ট্রাল আমেরিকা অ্যান্ড ক্যারিবিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের (কনকাকাফ) সভাপতি ভিক্টর মন্টালিয়ানিকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


