যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব প্রকাশের দুই দিনের মাথায় গাজা উপত্যকায় নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত আটজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
রোববার দেইর আল-বালাহর দক্ষিণে একটি ফ্ল্যাটে ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় এক পুরুষ ও এক নারী নিহত হন। এ ছাড়া খান ইউনিসে তিনজন এবং গাজা সিটির ওল্ড সিটিতে একজনসহ বিভিন্ন স্থানে পৃথক হামলায় আরও কয়েকজন নিহত হন।
এর আগে, শনিবার মধ্য গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একটি চিকিৎসাসামগ্রী সংরক্ষণাগার ধ্বংস হয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ মিটার চওড়া ও ১০ মিটার গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়।
গত বছরের গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মার্কিন বোর্ড অব পিস ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করলেও তা এখনো মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়নি।
হামাস জানিয়েছে, গত বছরের চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে সেনা প্রত্যাহার করার পরই তারা অস্ত্র জমা দেবে।
অন্যদিকে রয়টার্সকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, হামাসকে ‘প্রকৃতভাবে নিরস্ত্র’ না করা পর্যন্ত বর্তমান অবস্থান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
এ উদ্যোগ নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এটিকে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার পক্ষেও অবস্থান জানান।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ দাহলান জানান, ট্রাম্পের জামাতা ও এই উদ্যোগের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার তাকে বলেছেন, গাজায় হামলা বন্ধের বিষয়ে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করছেন।
দাহলান বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং এই উদ্যোগের সফলতা এখন সম্পূর্ণভাবে গাজায় ইসরায়েলের চলমান হামলা বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।


