কোস্ট গার্ড চট্টগ্রামের বহিঃনোঙ্গরে চুরি ও পাইরেসি প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে। শনিবার দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, উপকূলীয় ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। প্রশাসন এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় বহিঃনোঙ্গরে অপরাধের ঘটনা অনেক কমে এসেছে।
সম্প্রতি তিনটি জাহাজে চুরির বিষয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে কোস্ট গার্ড। তারা জানায়, দুটি জাহাজে ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়ায় কোনো মালামাল চুরি হয়নি। জাহাজ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কোস্ট গার্ডকে প্রশংসাপত্র দিয়েছে।
অন্যদিকে, তৃতীয় জাহাজটির ক্ষেত্রে চুরির অনেক পর ঘটনা জানানো হয়। এ ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী উক্ত জাহাজগুলোতে নিবন্ধিত পাহারাদার থাকার কথা থাকলেও তা ছিল না, যা নিরাপত্তার একটি বড় ঘাটতি। তাই সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বহিঃনোঙ্গরের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড কঠোর নীতি অনুসরণ করছে। বিগত কয়েক মাসে হাজার হাজার টহল ও সফল অভিযান চালিয়ে বিপুল মালামালসহ বহু চোরাচালানকারীকে আটক করা হয়েছে।
জালে মাছ ধরার অজুহাতে বা অন্য উপায়ে বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির চেষ্টা চালানো অপরাধীদের দমনে সম্প্রতি পতেঙ্গায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নৌযান ও অপরাধীকে আটক করা হয়।
সমুদ্র ও নদীপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে বাহিনীটির অভিযান ভবিষ্যতেও চালু থাকবে। বর্তমানে জনবল ও সরঞ্জামের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও নতুন হেলিকপ্টার যুক্ত করা এবং সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা চলমান রয়েছে, যোগ করেন তিনি।


