দেশব্যাপী শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে মডেল টিচিং পদ্ধতি তৈরির উপর জোর দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনইউ) উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ।
তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান যুগোপযোগী ও আনন্দময় করতে হলে বিদ্যমান পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক এবং চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাদান নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই, অন্যথায় দেশ পিছিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সিনেট হলে ‘ডেভেলপমেন্ট অব আউটকাম-বেইসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উপাচার্য আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শিক্ষাখাতে অন্যতম প্রধান অংশীজন (স্টেকহোল্ডার) হওয়ায় এই ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আধুনিক ও কর্মনির্ভর কারিকুলামের কথা উল্লেখ করে আমানুল্লাহ বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা অপরিহার্য।
আউটকাম বেজড এডুকেশন বা ওবিই কারিকুলাম প্রবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা ও সৃজনশীলতা অর্জনে সহায়তা করা সম্ভব হবে।
উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি শিক্ষাক্রম তৈরি করা যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখবে এবং শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
আইকিউএসি-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল বক্তা হিসেবে আলোচনা উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর)-এর শিক্ষক এস এম হাফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান এবং কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তা ও অতিথিবৃন্দ আধুনিক ও যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আউটকাম-বেসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম প্রণয়ন ও এর কার্যকারিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।


