দ. আফ্রিকাকে হারিয়ে শেষ ১৬ তে কানাডা

দ. আফ্রিকাকে হারিয়ে শেষ ১৬ তে কানাডা
Advertisement
Advertisement

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে কখনোই গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কানাডার। অবশেষে সেই অধরা ইতিহাস ছুঁয়ে ফেলল ‘লেস রুজেস’রা। ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১–০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর টিকিট কাটলো এবারের আসরের সহ-আয়োজক দেশটি।

ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত দুই দলের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তায় যখন অতিরিক্ত সময়ের সুবাস পাচ্ছিল গ্যালারি, ঠিক তখনই ফুটবল ঈশ্বর যেন সব রোমাঞ্চ জমা রাখলেন ইনজুরি টাইমের জন্য।

রাউন্ড অব ৩২-এর প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই কোনো দলই এক চুল ছাড় দিতে রাজি ছিল না। প্রথমার্ধে মাঠের লড়াইয়ে আধিপত্য দেখানোর চেষ্টা করলেও ডেডলক ভাঙতে পারেনি কোনো পক্ষই। প্রথমার্ধের উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে ছিল ১৪ এবং ৩৬ মিনিটে ভিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে পেনাল্টি ও ফাউলের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ, তবে রেফারির সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধ গোলশূন্যই থেকে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়াতে দুই দলই একাধিক বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামায়। কানাডার কোচ জেসি মার্শ তাদের তারকা আলফোনসো ডেভিসকে মাঠে নামিয়ে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। রক্ষণাত্মক ফুটবল আর নিখুঁত ব্লক দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটিকে অতিরিক্ত সময়ের দিকেই টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।

তবে নাটকের শেষ অঙ্ক তখনো বাকি। নির্ধারিত সময় শেষে যখন ইনজুরি টাইমের খেলা শুরু হয়, ঠিক তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জ্যাকব শ্যাফেলবার্গের ক্রস থেকে আসা বল দক্ষিণ আফ্রিকার ডি-বক্সের মাথায় বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেন কানাডার মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্ট্যাকিও। এরপর ডান পায়ের এক মাপা শটে পরাস্ত করেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিরোধ এবং গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসকে। বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়ামের প্রায় ৭০ হাজার দর্শক। এরপর ভিআর চেকে অফসাইডের শঙ্কা কেটে গেলে কানাডার উৎসবের রঙ আরো গাঢ় হয়। রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই ১-০ গোলের জয় দিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সোনালী রূপকথাটি লিখে ফেলে কানাডা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad