পরীক্ষায় এখন নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে এবং অনেকে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে নকল করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় অপচয় না হয়। ইতোমধ্যে ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন দিয়ে দিয়েছি, যাতে তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। এরপর থেকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়াও সমন্বয় করব।’
শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরের মধ্যেই শেষ করার তাগিদ দেন।
শিক্ষকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদান অপরিসীম। তাই আগামী প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের মাঝে স্বতঃপ্রণোদনা থাকতে হবে এবং নিজেদের সম্মান নিজেদের অর্জন করে নিতে হবে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার মাধ্যমে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব। সারা দেশের মতো পার্বত্য অঞ্চলেও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করতে হবে।
চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন।


