সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে দ্বিতীয় ধাপের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে দল দুটি।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১ থেকে ৯ অক্টোবর দাবির পক্ষে গণসংযোগ, ১০ অক্টোবর ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে গণমিছিল এবং ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এর আগে সকালে পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ।
সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা উৎসবের জন্য শুরুর দিকে আমরা রাজপথের কর্মসূচিতে যাচ্ছি না।’
দল দুটির দাবির মধ্যে রয়েছে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, পিআর পদ্ধতি চালু, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারী শক্তির দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ।
একই দাবিকে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) প্রথম ধাপের কর্মসূচি পালন করে।
দলগুলো পাঁচ দফা দাবিতে ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে এবং ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের সব বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।


