ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট এক হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২৯৮টি আসন থেকে মনোনয়ন নেওয়া ৩০৫ জন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে এখনও পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে প্রার্থী চূড়ান্তের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অধিকাংশ প্রতিদ্বন্দ্বী দলীয় প্রার্থী হলেও নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী।
এবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল গত ২৯ ডিসেম্বর, নির্ধারিত সময়ে ৩০০ সংসদীয় আসনে দুই হাজার ৫৮৫ মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৮৫৮ জন।
এরপর মনোনয়নপত্র বাতিলে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়রি থেকে আপিল আবেদন শুরু হয়। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৪৫ জন আপিল করেন।
১০ জানুয়ারি থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়ে একটানা ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩১ জন। আপিল শুনানির শেষ দিন সোমবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থী দাঁড়ায় দুই হাজার ২৮৯ জন। তাদের মধ্য থেকে ৩০৫ জন ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
অন্যদিকে, ভোটের দিন একই রেখে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নতুন করে তফসিল ঘোষণা হওয়ায় আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী (আগের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেন ১৩ জন) এ তালিকা থেকে বাদ যাবে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা মেনে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী গত রোববার এই দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল। সেদিন পাবনা-১ আসনে সাতটি ও পাবনা-২ আসনে পাঁচটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
এ দুই আসনে ১৯ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয়। রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের সময়সীমা ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৬ জানুয়ারি। এই দুই আসনে প্রতীক বরাদ্দ হবে ২৭ জানুয়ারি।


