২০ কোটি টাকার সোনালী ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি পেল মাভাবিপ্রবি

২০ কোটি টাকার সোনালী ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি পেল মাভাবিপ্রবি
Advertisement
Advertisement

প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া ‘সোনালী ব্যাগ’ প্রকল্পের অব্যবহৃত ৫৩টি যন্ত্রপাতি পেয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। পাটের সেলুলোজ, পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্য ও পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় এসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ডেমরায় লতিফ বাওয়ানী জুট মিলসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম মাভাবিপ্রবির উপাচার্য এবিএম শহীদুল ইসলামের কাছে যন্ত্রপাতিগুলো হস্তান্তর করেন।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন (বিজেএমসি), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (বিসিসিটি) ও মাভাবিপ্রবির মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, সোনালী ব্যাগ প্রকল্পে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হলেও উৎপাদন ব্যয় বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে আনা সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মূল্যবান যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত পড়ে ছিল। রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট না করে গবেষণায় ব্যবহারের জন্য এসব যন্ত্রপাতি মাভাবিপ্রবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে পাটভিত্তিক নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। গবেষণার ফলাফল শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যবহারিক ও বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগযোগ্য পণ্যে রূপান্তর করতে হবে।

আরও পড়ুন

ছবি: বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌজন্যে

সমঝোতা স্মারকে বিজেএমসির পক্ষে চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কবির উদ্দিন সিকদার, বিসিসিটির পক্ষে সহকারী পরিচালক মোস্তফা কামাল এবং মাভাবিপ্রবির পক্ষে রেজিস্ট্রার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) এ কে এম মহিউদ্দিন সই করেন।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বিজেএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কবির উদ্দিন সিকদার উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মাভাবিপ্রবির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল বাশার, সহকারী অধ্যাপক আল ইমরান হোসাইন ও প্রভাষক মো. শাহাবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পাটের সেলুলোজ থেকে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল ‘সোনালী ব্যাগ’ উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে বিজেএমসির অধীনে প্রকল্পটি নেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে পণ্যের গুণগতমান উন্নয়নে গবেষণা চালানো হয়। উৎপাদন ব্যয় বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না আসায় প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad