১৮ বছর বয়সী কার্লের গোলে অ্যাটলেটিকোকে হারাল বায়ার্ন

১৮ বছর বয়সী কার্লের গোলে অ্যাটলেটিকোকে হারাল বায়ার্ন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

তারকা খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদকে তাদের মাঠে ২-০ গোলে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।

জার্মানির তরুণ ফরোয়ার্ড লেনার্ট কার্ল প্রথম গোলটি করেন। পরে কনরাড লেইমার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। চোটের কারণে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় বাইরে থাকলেও জয় পেতে বেগ পেতে হয়নি জার্মান চ্যাম্পিয়নদের।

জামাল মুসিয়ালা, লুইস দিয়াজ, সার্জ নাব্রি ও ইসমাইল সাইবারি চোটের কারণে দলের বাইরে ছিলেন। তবে সদ্য ব্যালন ডি’অরজয়ী হ্যারি কেইন ও অধিনায়ক জশুয়া কিমিচের নেতৃত্বে দুর্দান্ত জয় পায় বায়ার্ন।

অসুস্থতার কারণে কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানিকেও ছাড়াই মাদ্রিদে আসে জার্মান ক্লাবটি।

ম্যাচ শেষে লেইমার বলেন, ‘ম্যাচের আগে আমাদের ঘিরে অনেক আলোচনা ছিল। তবে নিজেদের দল ও খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ৯০ মিনিটে আমরা কী ধরনের ফুটবল খেলতে পারি, তা দেখিয়ে দিয়েছি। আমরা আরও এক বা দুটি গোল করতে পারতাম। ভালো একটি দলের বিপক্ষে এটি ছিল যথার্থ জয় এবং গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট।’

লেইমারের গোলে সহায়তা করলেও নিজে গোল করতে পারেননি কেইন। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১১ ম্যাচে গোল করার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডে ভাগ বসানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি।

দুই জয় ও দুই ড্রয়ে আট পয়েন্ট নিয়ে ৩৬ দলের তালিকায় অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে বায়ার্ন। অন্যদিকে মঙ্গলবার রাতের খেলা শেষে অ্যাথলেটিকোর অবস্থান ২২তম।

আরও পড়ুন

খেলোয়াড়সংকটে থাকা বায়ার্ন ম্যাচের আগে স্বস্তির খবর পায়। শনিবার বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে হাঁটুর চোটে ম্যাচের শেষ দিকে মাঠ ছাড়লেও খেলার ছাড়পত্র পান মাইকেল ওলিসে।

বায়ার্নের দুই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড কেইন ও কার্লের সঙ্গে শুরুর একাদশে ছিলেন ওলিসে। বাঁ দিকের উইংব্যাক আলফোনসো ডেভিসকে তুলে আনা হয় বাঁ প্রান্তের আক্রমণভাগে।

এদিকে ম্যাচের দিনই চোটের কারণে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে হারায় অ্যাথলেটিকো।

ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় স্বাগতিকদের এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন জুলিয়ান আলভারেজ। তবে তাঁর শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন কেইনও। তবে তাঁর শট ইয়ান ওবলাকের পাশ দিয়ে গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়।

বল দখল ও মাঠের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিয়েও বায়ার্নের আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখছিল অ্যাথলেটিকো। যদিও স্বাগতিকদের একটি সাধারণ ভুলেই এগিয়ে যায় বায়ার্ন। রবিন লে নরমাডের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন কার্ল। এরপর সামনে এগিয়ে আসা ওবলাকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান তরুণ এই ফরোয়ার্ড।

পিছিয়ে পড়ে কোচ দিয়েগো সিমিওনে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন। ৭৪ মিনিটে কেইনের দারুণ এক পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অস্ট্রিয়ান মিডফিল্ডার লেইমার।

ম্যাচের ১০ মিনিট বাকি থাকতে ব্যবধান ৩-০ করার সুযোগ পেয়েছিল বায়ার্ন। ডায়ো উপামেকানো প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে শারীরিক শক্তিতে হারিয়ে হেডে গোল করলেও আক্রমণাত্মক ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad